সুন্দরী পোখরা - শিখা সেনগুপ্ত

 


গত বছর ২০২২ সালের ১৩শে ফেব্রুয়ারি থেকে ই মার্চ পর্যন্ত আমরা নেপাল দেশ ভ্রমণ করেছিলাম। চিতওয়ান ন্যশানাল ফরেষ্ট,রোপওয়ে চড়ে অনেক উঁচু মনোকামনা মন্দিরে যাওয়া, কাটমান্ডুতে চারদিন থেকে পরেশনাথ মন্দির, বুদ্ধ স্তুপ স্বয়ম্ভুনাথ মন্দির,বুড়ানীলকন্ঠনারায়ন মন্দির, ভক্তপুর দরবার স্কোয়ার ইত্যাদি দেখে আমরা শেষ গন্তব্য সুন্দরী পোখরার উদ্দেশ্য রওনা দিলাম।

 

নারায়ণী নদী

পোখরা শুধু সুন্দর নয়,যেন স্বপ্ন বোনা এর পরতে পরতে। কাটমান্ডু থেকে সেখানে যেতে পথে নারায়নী নদী আমাদের সাথে সাথে চলল। নেপাল পাহাড়ময় দেশ।   রামতি, গন্ডকি, নারায়নী, ত্রিশুলী প্রভৃতি নদী যখন পাহাড়ের খাতে সবজে সাদা রঙের জল নিয়ে  বয়ে যায়, সে এক অপরূপ দৃশ্য। লাঞ্চের জন্য মাঝে 'হিল টপ' নামে উঁচু এক জায়গায় থামা হল। গাছপালা ফুলে ছাওয়া সে রেস্তোরার নীচে দিয়ে রাস্তা চলে গেছে। পাশে বরফাবৃত পর্বত। একটা যেন গল্পের পটভূমি। বিকেল নাগাদ আমরা পোখরা শহরে ঢুকলাম। প্রথমে বিভিন্ন ইঞ্জিনিয়ারিং ও ম্যানেজমেন্ট কলেজ দেখতে দেখতে চলেছি, তেমন কিছু মনে হল না। বেশ ঠান্ডা লাগছে।

অন্নপূর্ণা শৃঙ্গ

ঝিরিঝিরি বৃষ্টি শুরু হল, তারমধ্যেই বিকেলের অল্প আলোয় আবছা দেখা গেল চারপাশ ঘিরে রয়েছে হিমালয়ের অংশ অন্নপুর্ণা পর্বতমালার বরফাবৃত চুড়াগুলি। কিছু সময়ের পরই আমাদের রিজার্ভ বাস পোখরার বুকে থাকা বিশাল ফেওয়া লেকের পাশ দিয়ে চলতে থাকল। হালকা হাওয়ায় বিশাল জলরাশি ছোট ছোট ঢেউ তুলে চলেছে। লেকের মাঝের দ্বীপের মন্দিরে আরতির কাসর ঘন্টা বাজছে। লেকের কাছেই আমাদের জন্য ব্যবস্থা করা হোটেল ল্যান্ডমার্কে পৌছলাম।ত্রি স্টার হোটেল, চিতওয়ানেও এদের দারুন রিসর্টে ছিলাম।অন্ধকার হয়ে গেছে। বৃষ্টি শুরু হয়ে গেছে। হাড়কাঁপানো ঠান্ডা। আরামদায়ক ঘরে বন্দী।কাঁচের দেওয়ালের ওপাশে ও কি বৃষ্টির ফোটা না কি কুচো বরফ! টের পাওয়া গেল রাত্রে নীচে নেমে বাঁধানো উঠোন, যাকে সাহেবী ভাষায় কোর্ট বলছে, সেটি পেরিয়ে ডাইনিং হল এ যাবার সময়, দু'প্রস্ত জামাকাপড়ের ভিতর সুঁচের মত ঠান্ডা সেঁধিয়ে যাচ্ছে। বলা হয়েছিল ভোরে ছাদে উঠলে সানরাইজের সময় পুরো অন্নপুর্ণা রেঞ্জ দেখা যাবে। সকালে উঠে দেখি কোথায় সান! তবে বৃষ্টি নেই। এখানে মজা এই যে মোটামুটি আকাশ পরিস্কার হলেই চারপাশের বরফাবৃত অন্নপুর্ণা পর্বতমালা দৃশ্যমান হয়।বেলা আটটার সময় সুর্য্যও উঠল। বিন্ধ্যবাসিনী মন্দির দেখতে যাবার জন্যে রিজার্ভ বাসে উঠতে রাস্তায় নেমে দেখি দারুণ সুন্দর দৃশ্য,চারপাশে  ঘিরে থাকা বরফে মোড়া পাহাড় রোদ্দুরে ঝকমক করছে। পাশের ফেওয়া লেক থেকে অনেক গাছপালার মধ্যে দিয়ে ঝিরিঝিরি হাওয়া বইছে। বাসে বসে আমরা জানলা দিয়ে পাহাড়ের চুড়াগুলি দেখতে পাচ্ছিলাম। এত বরফে ঢাকা ঘিরে থাকা  এতগুলো পাহাড়ের একত্র সমাবেশ আগে কখনও দেখিনি। বাসে একজন স্থানীয় গাইড উঠে আমাদের আঙুল দিয়ে দেখিয়ে চুড়াগুলির নাম বলছিলেন। কোনটি অন্নপুর্ণা, কোনটি গণেশ আবার কোনটি মচ্ছপুচ্ছারে মানে মাছের লেজ, চুড়াটি ওই রকমই দেখতে আর কি।

 

ফেওয়া লেকের পাশ বরাবর রাস্তা দিয়ে আমাদের বাস চলছিল, এবার লেকের মাথার দিকে সমকোনে যে রাস্তায় বাস ঢুকল তার নামই ফিস টেল,  চুড়ার নামে নামকরণ। দেখতে দেখতে চলেছি, সাজানো এই পোখরা শহরে পরপর দোকান পাট স্কুল কলেজ সবই আছে,সবচেয়ে যেটা নজর কাড়ল অনেক প্রাচীন বৃক্ষ,সাথে ছোট গাছ ও হরেক রকম ফুলে ভরা গাছ এই পাহাড়ী শহরের সৌন্দর্য্য বাড়িয়ে দিয়েছে।

 

বিন্ধ্যবাসিনী মন্দির

একটা উঁচু পাহাড়ের নীচে আমাদের বাস থামল। এরই মাথায় বিন্ধ্যবাসিনী দেবীর মন্দির। ধাপে ধাপে সিড়ি উঠে গেছে। ঐ সিড়ি ভেঙে পাহাড়ের মাথায় ওঠা সহজ কথা নয়। অবশ্য পাশে লিফট আছে।আমরা একশো টাকার টিকিট কেটে, যাওয়া আসা নিয়ে, লিফটে চড়ে পাহাড়ের মাথায় মন্দির চত্বরে উঠলাম। সত্তরোদ্ধ মানুষের জন্য এই লিফটে চড়তে পয়সা লাগবে না। উপরে উঠে অবাক বিস্ময়ে দেখি বিশাল চত্বর,পাথর কেটে সমতল করা হয়েছে,কিছুটা উঁচু নীচু, ধাপ কাটা একটু নীচে নেমে জুতো রাখার ব্যবস্থা। জুতো রেখে, ওখানে রাখা অল্প জলে হাত পা ধুয়ে মুল মন্দির চত্বরে এলাম। বিন্ধ্যবাসিনী দেবীর মন্দির ছাড়াও আছে প্যাগোডা আকৃতির শ্রী রাধাকৃষ্ণের পাথর নির্মিত মন্দির এবং পাশে একটি বড় শিবমন্দির। বিন্ধবাসিনী আসলে দেবী দুর্গার এক রূপ। প্যাগোডা আকৃতির এই মন্দিরের সংলগ্ন ছাদ দেওয়া খোলা ঘরের মত জায়গা। পুজো দেবার জন্যে আমরা সেখানে লাইন দিলাম। সুশৃঙ্খল ভাবে লাইন এগিয়ে গেল। আমরা সবাই একে একে পুজো দিলাম। মন্দিরের সামনে বসে থাকা এক পুরোহিত সব ব্যবস্থা করে দিলেন। মাতৃ প্রণাম করে এবার আমরা অন্য মন্দিরগুলি দর্শন করতে লাগলাম। পাহাড়ের মাথায় বেশ জোরে হাওয়া বইছিল। ভারী শালটা দিয়ে মাথা মুড়ে গায়েও ভালো করে জড়িয়ে নিলাম।

 


পাহাড়ের শেষের দিকে একটা বিশাল বড় ঘন্টা। তার ওপাশে পাথর দিয়ে ছোট পাঁচিলের মত করা হয়েছে, মানুষ যাতে পড়ে না যায়। ঘন্টাটির কাছে যেতেই পোখরা শহরের অনেকটা দৃশ্যমান হল। তুষারশৃঙ্গগুলি যেন খুব হাতের কাছেই সকালের রোদে ঝলমল করে উঠল।সে এক মনমুগ্ধকর দৃশ্য। হাতের মোবাইল ক্যামেরা ও গলায় ঝোলান নিকন কুলপিক্স ক্যামেরা দুটো দিয়েই পরপর ছবি তুলে যাচ্ছি কিন্তু মনের পটে যে চিরন্তন ছবি রয়ে গেল সে যেন চির আনন্দমুর্তি। 

শহর ঘুরে বাস ফিরে এল ফেওয়া  লেকের ধারে। বিশাল বড় লেক।শুরু শেষ দেখা যায় না। হাওয়াতে স্বচ্ছ জল নদীর মত তরঙ্গ তুলে চলেছে। চারপাশে বেশ বড় বড় গাছ। তীরে বসার জন্যে সারিবদ্ধ চেয়ার আছে। তুষারাবৃত পর্বতমালা ঘিরে রয়েছে ফেওয়া লেককে।তার ছায়া পড়েছে জলে। ঘন্টার পর ঘন্টা বসে থাকলেও মনে অমল আনন্দ পাওয়া যায়। এই লেকের আগের নাম ছিল বাইদাম তাল। প্রাণচঞ্চল হাসিখুশি মানুষের কলকোলাহলে মাতোয়ারা। লেকে বেড়ানোর জন্যে ছোট সরু ছিপ নৌকার মত বোটের মাঝিরা ডাকাডাকি করছে। অল্পবয়সী ছেলেমেয়েরা ঝপাঝপ তাতে উঠে ভেসে বেড়াচ্ছে।এ নৌকো কিছুটা দোলে। আরও এক রকমের নৌকো আছে আট সওয়ারীর। ছোট ফ্ল্যাটমত। পাটাতনের উপর দুপাশে চারটে করে আটটা চেয়ার বসানো। এর খরচ একটু বেশি কিন্তু দোলে না। স্থির ভেসে যায়। দরদাম করে আমরা আটজন ঐ নৌকোয় বসলাম। একে এখানে ফ্ল্যাট বলে। তা আমরা ওই ফ্ল্যাট নৌকায় লেকে ঘুরতে লাগলাম। এক ঘন্টার চুক্তি।

 বারাহী মন্দির

 

মাঝি লেকের মাঝে একটি ছোট দ্বীপে নৌকা  থামিয়ে ওই দ্বীপের বারাহী মন্দির দেখে আসতে বলল। সন্ধ্যের সময় এখানে ভালো আরতি হয় সে কথাও জানাল। আমরা দ্বীপে উঠে প্যাগোডা আকৃতির মন্দির দেখতে গেলাম। নেপালের প্রায় সব মন্দিরই বৌদ্ধ আদলের প্যগোডা আকৃতির। কিন্তু পুজো হয় পুরো হিন্দু রীতিতে। ঠিক হল সন্ধ্যায় আমরা এখানে আরতি দেখতে আসব। সামনে বসা পুরোহিত মশায় বললেন এটি দেবী দুর্গার মন্দির কিন্তু আমরা দেবীমুর্তি দেখতে পেলাম না। দুপুরে মন্দির বন্ধ থাকে। আবার নৌকায় চড়ে বেড়াতে লাগলাম। চারপাশের এত সুন্দর পরিবেশে মনে হল আমরা যেন বাস্তবে নেই,সিনেমাতে রয়েছি। তীরে উঠে গাছপালা ছাওয়া সুন্দর পরিবেশে হেঁটে মিনিটখানেকের মধ্যেই আমাদের হোটেলে পৌছলাম।

 

এখানে বিকেল হতে না হতে আলো কমে আসে। আমরা তাড়াতাড়ি রেডি হয়ে লেকের দিকে হাঁটতে শুরু করলাম। দ্বীপের মন্দিরের আরতি দেখতে হবে। একটু হাঁটতেই বড় বড় ফোঁটায় বৃষ্টি শুরু হল তারপর অঝোরে, সাথে হাড়কাঁপানো ঠান্ডা। ছুটে ছুটে হোটেলে ফিরে এলাম। যে তিনদিন আমরা পোখরাতে ছিলাম, রোজ বিকেলে বৃষ্টি ছিল। দ্বীপের দুর্গামন্দিরের আরতি আমাদের দেখা হয় নি ঠিকই  কিন্তু সকালে চারপাশে আলোকোজ্জ্বল বরফে মোড়া অন্নপুর্ণা পর্বতমালা মন ভরিয়ে দিত যেন চকমিলান পাহাড় বাড়ির উঠোনে আমরা আছি। যে দিকেই তাকাই সেই অপরূপ দৃশ্য। হোটেলে ফিরে নীচের দোকানপাটে শাল হস্তশিল্প ইত্যাদি দেখতে লাগলাম।জিনিষগুলো নিঃসন্দেহে শিল্পসুষমামন্ডিত কিন্তু এইসব স্টার হোটেলে দাম আকাশছোঁয়া।

 

পরদিন ডেভিস ফলসের পাশের দোকানসারি অনেকটা আমাদের নিউমার্কেটের মত, সেখানে একই জিনিষ সঙ্গত দামে পাওয়া গেল। পরের দিন সকালে পোখরা শহরের কয়েকটি জায়গা দেখার জন্য রিজার্ভ ছোট বাসে উঠলাম। আমরা তখন জানি যে অন্নপুর্ণা রেঞ্জ দেখার জন্য ছাদে ওঠার দরকার নেই। ঘিরে থাকা তুষারশৃঙ্গে সুর্যের আলো পড়ে হীরকদ্যুতি ছড়াচ্ছে।শুধুমাত্র এই অন্নপুর্ণা পর্বতমালার সৌন্দর্য্য দেখার জন্য পোখরায় বেড়াতে আসা যায়। প্রথমে গেলাম গুপ্তেশ্বর মহাদেব গুহার কাছে। এবরোখেবরো সরু গুহা লম্বালম্বি চলে গেছে।বহু পুরানো এই গুহাতে কিছুদুর গেলে লম্বা পাথরের শিবলিঙ্গ দেখা যাবে। পাশ দিয়ে সরু সেতি নালা বয়ে গেছে।তার জলে জামাকাপড় ভিজে যাচ্ছে। যা হোক কোনক্রমে হাচোরপাচোর করে বেরিয়ে এলাম। সামনে কয়েকটি দোকান।আমি আর কর্তামশায় সামনের একটি খাবারের দোকানে গিয়ে জিজ্ঞাসা করলাম চা হবে কি না। দোকানে তখনও আগুন জ্বালেনি।মালকিন নেপালি ভদ্রমহিলা দোকানের সামনের খোলা জায়গায় দুটো চেয়ারে রোদ্দুরে আমাদের বসিয়ে রেখে ভিতরে গেলেন। ঠান্ডার মধ্যে সকালের মিঠে রোদে বসে সে অঞ্চলের উঁচু উঁচু প্রাচীন বৃক্ষরাজি দেখতে লাগলাম। অধিকাংশ পাইন,ফার ও দেবদারু জাতীয় গাছ। মৃদু হাওয়ায় কম্পনের মত অল্প দুলছে। পরিবেশটা দারুন লাগল। এরমধ্যে ভদ্রমহিলা বাড়ির মধ্য থেকে বড় কাঁচের গ্লাসে দুগ্লাস চা করে এনে আমাদের সামনে টেবিলে রাখলেন,সাথে দুটো করে বিস্কুট। আঃ, সে চা খেয়ে বাঙালি প্রাণ একেবারে জুড়িয়ে গেল। নেপালি চাপাতার সুগন্ধ, এলাচও দেওয়া।আমরা নেপালি ভদ্রমহিলাকে ধন্যবাদ জানাতে তিনি আমাদের ওয়েলকাম বললেন। অতিথিবৎসল হাসিমুখ এই মহিলা আমার মনে জায়গা করে নিলেন। দলের অন্যরা কাছেই কয়েকটি দোকানে ছোটখাট জামাকাপড় কেনাকাটা করছিলেন।

 

 

 

ডেভি’স ফলস

আবার বাসে চড়ে এবার গেলাম ডেভিস ফলস। শ্যাওলাধরা কালো পাথরের গহ্বর থেকে তোড়ে বেরিয়ে আসছে  বিশাল জলধারাতীব্রতার কারণে সাদা জলকুচি বাস্পের মত ছড়িয়ে পড়ছে চারপাশে। পাহাড়ের খাঁজে প্রায় একশো ফুট গভীরে বয়ে চলেছে এই জলধারা। বলা হয় পাঁচশো ফুটেরও বেশি এই জলপ্রপাত মাটির নীচ দিয়ে ফেওয়া লেকে মিশেছে। 1961 সালে এক সুইস দম্পতি এই ফলসে সাঁতার কাটতে গিয়ে জলের তোড়ে ভেসে যায়পরে ডেভি নামে মেয়েটির মৃতদেহ পাথরের খাঁজে আটকে থাকতে দেখা যায়। মেয়েটির শোকার্ত বাবার অনুরোধে এর নাম ডেভিস ফলস হয়। স্থানীয়রা বলেন মেয়েটির স্বামীও জলের তোড়ে মারা গিয়েছিলেন। সব শুনে ওই দুর্বার প্রবাহের দিকে তাকিয়ে একটা দীর্ঘশ্বাস বেরিয়ে এল ভিতর থেকে। ডেভিস ফলস থেকে বেরিয়ে সামনের দোকানসারি  থেকে স্টোল, টিশার্ট এইসব ছোটখাট কেনাকাটা করে নিলাম। এখান থেকে আমরা গিয়েছিলাম একটা মাউন্টেনিয়ারিং মিউজিয়ামে। অসাধারন সংগ্রহ। বিভিন্ন ছবি, পাহাড়ে চড়ার সরঞ্জাম ইত্যাদি দেখে ফিরলাম ফেওয়া লেকে। জলের ধারে চেয়ারে বসে ঠান্ডা হাওয়ায় গাছপালার শিরশিরানি, লেকের জলতরঙ্গ, দুরে ধোঁয়া ধোঁয়া ভাব সব মিলিয়ে ঘোর লেগে যায়। কতক্ষণ বসে আছি, লাঞ্চের সময় পেরিয়ে যায়। সবার তাড়াতে উঠতেই হল। আর কি! আমার নটে গাছটি মুড়োল। বিকেলে সেই ঝড়বৃষ্টি। পরদিন সকালেই আমরা বীরপাড়া বর্ডারের দিকে রওনা দিলাম। এবার ঘরে ফিরতে হবে


Post a Comment

নবীনতর পূর্বতন